|| শরতে জাগ্রত চণ্ডী || দূর থেকে অপার এক সৌন্দর্য, যা ভাষায় প্রকাশ করা সত্যিই বড় কঠিন। পেঁজা তুলোর মতো সাদা মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে নীল আকাশ জুড়ে, কাশফুলের শুভ্র ঢেউ যেন প্রকৃতির নিজস্ব অলংকার হয়ে উঠেছে। দূর দিগন্তের ওপার থেকে খুব ধীরে ধীরে ভেসে আসছে ঢাকের বাদ্য—সুমিষ্ট শরতের বাতাসের সঙ্গে মিশে সেই সুর এসে নিঃশব্দে স্পর্শ করে যায় হৃদয়কে। মনে করিয়ে দেয় সেই প্রাচীন রাজবাড়ির কথা, যেখানে প্রতি বছর মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হয় দেবী চণ্ডীর পূজা। সময়ের বহু অধ্যায় পেরিয়েও আজও যেন সেই রাজবাড়ির প্রতিটি ইট, প্রতিটি অলিন্দ বহন করে চলেছে ইতিহাসের গন্ধ। সন্ধ্যার আলোর মৃদু আভায় যখন রাজবাড়ির প্রাঙ্গণে একে একে জ্বলে ওঠে প্রদীপ, তখন মনে হয় যেন অতীত আর বর্তমান মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। ঢাকের তালে, শঙ্খধ্বনির পবিত্র সুরে আর ভক্তদের উচ্ছ্বাসে চারপাশ হয়ে ওঠে এক অলৌকিক অনুভূতির আধার। দেবী চণ্ডী হিন্দু ধর্মে শক্তির এক মঙ্গলময় রূপ হিসেবে পূজিতা। তিনি আদ্যাশক্তি মহামায়ারই এক প্রকাশ, যিনি অসুর শক্তির বিনাশ এবং ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য আবির্ভূত হয়েছিলেন। মার্কণ্ডেয় পুরাণের অন্তর্গত “শ্রীশ্রী চণ্ডী” বা “দে...
Mythological and Spiritual