সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

Vedas লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ব্রহ্মসংহিতা- Brahma Samhita Slokas

  ব্রহ্মসংহিতা আজকে আমি আপনাদের সামনে আনতে চলেছি ব্রহ্মসংহিতা -তে উল্লিখিত এক অপূর্ব মধুর শ্লোক— “ঈশ্বরঃ পরমঃ কৃষ্ণঃ সচ্চিদানন্দ বিগ্রহঃ । অনাদিরাদির্ গোবিন্দঃ সর্বকারণকারণম্ ॥” পরম ঈশ্বর হলেন শ্রীকৃষ্ণ। তাঁর দিব্য রূপ সৎ (চিরন্তন), চিৎ (চেতনাময়) এবং আনন্দময়। তিনি অনাদি, অর্থাৎ তাঁর কোনো শুরু নেই; অথচ তিনিই আবার সকল সৃষ্টির আদি কারণ। সেই গোবিন্দই সমগ্র জগতের “সর্বকারণের কারণ” — সমস্ত সৃষ্টি, শক্তি ও অস্তিত্বের মূল উৎস। চিন্তামণি-প্রকর-সদ্মসু কল্পবৃক্ষ- লক্ষাবৃতেষু সুরভীরভিপালয়ন্তম্ । লক্ষ্মী-সহস্র-শত-সম্ভ্রম-সেব্যমানং গোবিন্দং আদিপুরুষং তমহং ভজামি ॥ আমি সেই আদিপুরুষ শ্রীগোবিন্দকে ভজনা করি, যিনি চিন্তামণি রত্নে নির্মিত ধামে বিরাজমান, যেখানে অসংখ্য কল্পবৃক্ষ পরিবেষ্টিত রয়েছে। তিনি সুরভী গাভীদের পালন করেন এবং অসংখ্য  লক্ষ্মীদেবী গভীর ভক্তি ও সম্ভ্রমের সঙ্গে তাঁর সেবা করেন। বেণুং ক্বণন্তম্ অরবিন্দ-দলায়তাক্ষং বর্হাবতংসম্ অসিতাম্বুদ-সুন্দরাঙ্গম্ । কন্দর্প-কোটি-কমনীয়-বিশেষ-শোভং গোবিন্দং আদিপুরুষং তমহং ভজামি ॥ আমি সেই আদিপুরুষ শ্রীগোবিন্দকে ভজনা করি, যিনি মধুর বেণুবাদন করছেন...

মহাদেব- মহাজাগতিক চিকিৎসক

  মহাদেব- মহাজাগতিক চিকিৎসক, “God of Medicine” এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে এমন অসংখ্য সত্য ও তথ্য রয়েছে, যেগুলোর অনেকটাই আমাদের জানা, আবার অনেক কিছু আমাদের চিন্তারও অতীত। আমরা প্রতিদিন কথা বলি, হাঁটি, ভাবি, সিদ্ধান্ত নিই, শ্বাস গ্রহণ করি—কিন্তু খুব কমই ভেবে দেখি, এই অসীম শক্তির উৎস কোথায়। কে সেই পরম শক্তি, যাঁর অদৃশ্য করুণায় দিন ও রাত্রির আবর্তন ঘটে, ঋতু পরিবর্তিত হয়, প্রাণের স্পন্দন জাগ্রত থাকে? হিন্দু দর্শনের ভাষায়, সেই অনন্ত চেতনার এক মহিমান্বিত প্রকাশ হলেন মহাদেব—সৃষ্টি, সংহার, তপস্যা, জ্ঞান এবং আরোগ্যের অধিপতি। তাই তাঁকে “God of Medicine” বা “ঔষধ ও আরোগ্যের দেবতা” বলা একেবারেই যথার্থ। বৈদ্যনাথ শব্দের অর্থই হলো— দেবতাদের মহাচিকিৎসক । এখানে বৈদ্য মানে চিকিৎসক এবং নাথ মানে প্রভু। তাই  মহাদেবের এই রূপ আমাদের জানায় যে তিনি শুধু একজন দেবতা নন, তিনি দেহ, মন ও আত্মার পরম আরোগ্যদাতা। Baidyanath Temple -এ পূজিত এই বৈদ্যনাথ রূপে শিবকে সেই দিব্য চিকিৎসক হিসেবে মানা হয়, যিনি দেবতা ও মানবের সকল ব্যাধি, যন্ত্রণা ও অশান্তি দূর করে সুস্থতা, শান্তি ও নবজীবনের আশীর্বাদ দান করেন। প্রাচীন ...